|

৮ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ৪র্থ অধ্যায়

৮ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ৪র্থ অধ্যায়: আপনি কি ৮ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ৪র্থ অধ্যায় এর প্রশ্নোত্তর খুজতেছেন কিন্তু পাচ্ছেন না। আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের আর্টিকেলে ৮ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ৪র্থ অধ্যায় এর সকল প্রশ্নোত্তর শেয়ার করা হবে। কথা না বাড়িয়ে তাহলে চলুন শুরু করি।


৮ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন-১. স্প্রেডশিট সম্পর্কে সংক্ষেপে ধারণা দাও।
উত্তর: স্প্রেডশিটের আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো বড় মাপের কাগজ। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। এ কাগজে ছক করে (সারি ও কলাম) একটা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক চিত্র তুলে ধরা যায়। বর্তমানে কাগজের স্প্রেডশিটের স্থান দখল করেছে সফটওয়্যার নির্ভর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। এর ফলে নানা কাজে স্প্রেডশিটের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সত্তর দশকের শেষের দিকে অ্যাপল কোম্পানি সর্বপ্রথম ভিসিক্যালক (VisiCalc) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করে। পরবর্তীকালে মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel), ওপেন অফিস ক্যালক (Open Office Calc) কেস্প্রেড (Kspread) নামের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়। বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির এক্সেল (Excel)।

প্রশ্ন-২. বর্তমান স্প্রেডশিটে ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম মূলত হিসাব-নিকাশ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহার করে খুব সহজে এবং নির্ভুলভাবে সুক্ষ্ম ও জটিল হিসাব নিকাশের কাজ করা যায়। এর মাধ্যমে বাজার প্রবণতার বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যদ্বাবাণী করা যায়। বিশেষ করে দৈনন্দিন হিসাব সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ, কোনো বড় প্রতিষ্ঠার বার্ষিক প্রতিবেদন প্রণয়ন, অর্থনৈতিক বাজেট প্রণয়ন, ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় যাবতীয় কাজ। শিল্প কলকারখানার উৎপাদন ব্যবস্থাপনার কাজ। আয়কর ও অন্যান্য হিসাব নিকাশ তৈরি করা। কোম্পানির কর্মচারীদের বেতন/ভাতা তৈরি। পরিসংখ্যানের কাজে। স্প্রেডশিট ব্যবহার করে করা যায়। তাই কাজের সুবিধার কারণে এর ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

প্রশ্ন-৩. স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম বলতে কী বুঝ?
উত্তর: স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্ক বুক বলা হয়। একে একটি রেজিস্টার খাতার সাথে তুলনা করা যেতে পারে। একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। একেটা ওয়ার্কশিটে বহু সংখ্যক সারি ও কলাম থাকে। কলামগুলোকে A, B, C… নাম দিয়ে এবং সারিগুলোকে ইংরেজি 1, 2, 3 … দিয়ে এবং নির্দেশিত থাকে। ছোট ছোট ঘরগুলোকে বলা হয় সেল (Cell)। একটি ওয়ার্কশিটে অসংখ্য সেল থাকে। ওয়ার্কশিটে কোনোকিছু লিখতে হলে তা সেলে লিখতে হয়।

প্রশ্ন-৪. স্প্রেডশীট ব্যবহার করে কী কী সুবিধা পাওয়া যায় লেখ।
উত্তর: স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম ব্যবহারের ফলে যে সকল সুবিধা পাওয়া যায় নিম্নে লেখা হলো:
১. ছাত্র/ছাত্রীদের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করা যায় খুব সহজেই।
২. কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যায়ের হিসাব করা যায়।
৩. বড় বা বৃহৎ আকারের এস আর এন্টারপ্রাইজ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ব্যবসার প্রতিদিনের লেন-দেন-এর হিসাব করা যায়।
৪. ডাক যোগাযোগের ঠিকানা ও ই-মেইল ঠিকানার ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ সহজে করা যায়।
৫. এ প্রোগ্রামে গাণিতিক ফর্মূলা ব্যবহার করে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ও গড় নির্ণয় করার সুবিধা অনেক বেশি।
৬. বিপুল পরিমাণ তথ্য ও উপাত্ত নিয়ে হিসাবের কাজ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়।
৭. স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ব্যাংকের ক্যাশিয়ার প্রতিদিনের হিসাব সহজে করতে পারে।

প্রশ্ন-৫. স্প্রেডশিট ব্যবহারের উদ্দেশ্য বা প্রয়োজনীয়তা সংক্ষেপে লেখ।
উত্তর: ‘বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান এমনকি নিজের সাংসারিক হিসাব-নিকাশও খাতা কলমে হিসাব করতে গেলে শুধু সময়ের অপচয় হয় না, ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে অনেক। বড় বড় হিসাব করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। পক্ষান্তরে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত নিয়ে কাজ করা যায়। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে হিসাবের কাজ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়। এ সফটওয়্যারে সূত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকায় হিসাবের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়। একই সূত্র বারবার প্রয়োগ করা যায় বলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম লাগে। উপাত্তের চিত্ররূপ দেওয়াও এ সফটওয়্যারে খুব সহজ। স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডাক যোগাযোগের ঠিকানা ও ই-মেইল ঠিকানার ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ সহজে করা যায়। এছাড়াও স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত ও সংরক্ষণ করতে স্প্রেডশিট প্রোগামের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

প্রশ্ন-৬. স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম কী? স্প্রেডশিট পরিসংখ্যান কাজকে কিভাবে সহজ ও নির্ভুল করেছে— ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: স্প্রেডশিট: স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্ক বুক বলা হয়। একে একটি রেজিস্টার খাতার সাথে তুলনা করা যেতে পারে। একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। একেকটা ওয়ার্কশিটে বহু সংখ্যক সারি ও কলাম থাকে।
পরিসংখ্যাণ কাজে স্প্রেডশিট: স্প্রেডশিটের সবচেয়ে বেশি ব্যবহারিক ক্ষেত্রে হলো পরিসংখ্যানিক কাজ। পরিসংখ্যান কাজে বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্তের যোগফল, গড়, মোট সংখ্যার সংখ্যা, সর্ববৃহৎ ও সর্বনিম্ন সংখ্যা ছাড়াও পরিমিত ব্যবধান এবং ভেদাংক ইত্যাদি বের করতে হয়। এ সকল কাজ করতে স্প্রেডশিটে বিভিন্ন ধরনের ফাংশন যেমন: যোগফল এর জন্য SUM, সর্ববৃহৎ সংখ্যার জন্য MAX, গড়ের জন্য Average, সর্বনিম্ন এর জন্য MIN, মোট সংখ্যার রেঞ্জ বের করতে Count, ভেদাংকের জন্য VAR ফাংশনসমূহ ব্যবহার করা যায়। ফলে পরিসংখ্যানের কাজ সহজ ও নির্ভুল হয়।

প্রশ্ন-৭. মাইক্রোসফট এক্সেল কী? এর ব্যবহারিক ক্ষেত্রগুলো লেখ।
উত্তর: মাইক্রোসফট এক্সেল: মাইক্রোসফট এক্সেল হলো একটি স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। এটি মাইক্রোসফট কোম্পানি কর্তৃক উদ্ভাবিত এক্সেল প্রোগ্রাম। এর সাহায্যে গাণিতিক হিসাব-নিকাশের কাজ সহজে করা যায়। মাইক্রোসফট এক্সেলের ব্যবহারিক ক্ষেত্রে:
১. দৈনন্দিন হিসাব সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করতে পারি।
২. কোনো বড় প্রতিষ্ঠারে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে পারি।
৩. অর্থনৈতিক বাজেট প্রণয়ন করতে পারি।
৪. ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় যাবতীয় কাজ।
৫. শিল্প কলকারখানার উৎপাদন ব্যবস্থাপনার কাজ।
৬. আয়কর ও অন্যান্য হিসাব নিকাশ তৈরি করা।
৭. কোম্পানির কর্মচারীদের বেতন/ভাতা তৈরি।
৮. পরিসংখ্যানের কাজে।

প্রশ্ন-৮. ফর্মূলা বলতে কী বুঝ? উদাহরণসহ লেখ। 
উত্তর: ওয়ার্কশিটে বিভিন্ন সংখ্যার যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি গাণিতিক হিসাব-নিকাশের পদ্ধতিকে ফর্মুলা বলা হয়। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে অল্প সময়ে নির্ভুলভাবে হিসাব-নিকাশ করা যায়। উদাহরণ হিসেবে মনে করি, A2 সেলে 100 এবং B2 সেলে আছে 300 এখন যদি এ সংখ্যা দুটি যোগ করে যোগফল A3 সেলে রাখতে চাই, তাহলে A3 সেলে প্রথমে = টাইপ করতে হবে। এরপর A2 + B2 টাইপ করতে হবে। সম্পূর্ণ লেখাটা দাঁড়াবে = A2+B2। এখন Enter বোতামে চাপ দিলে A3 সেলে 400 লেখা চলে আসবে। এভাবে বিভিন্ন সংখ্যার যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ করা যায়।

প্রশ্ন-৯. ফর্মূলা ও ফাংশন কী? ফর্মুলা ও ফাংশন দুটোই ব্যবহার করে B1, B2, D4, D5 এবং E7 সেলে সংরক্ষিত ৫টি ডেটা যোগ করার পদ্ধতি বর্ণনা কর।
উত্তর: ওয়ার্কশিটের বিভিন্ন সেলের অ্যাড্রেসবারে গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য যে সূত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ফর্মূলা বলে। আর ফর্মূলার সংক্ষিপ্ত রূপ বা শব্দ সংক্ষেপকে বলা হয় ফাংশন। B1, B2, D4, D5 এর যোগফল E7 সেলে সংরক্ষিত করতে ফর্মূলা ও ফাংশন এর কার্যপদ্ধতি বর্ণনা করা হলো: ফর্মুলার সাহায্যে: ফর্মূলার সাহায্যে B1, B2, D4, DS এর যোগফল নির্ণয়ের জন্য, প্রথমে E7 সেলে কার্সর রেখে ‘=’ চিহ্ন দিতে হবে। এরপর টাইপ করতে হবে B1 + B2+ D4 + D5। অর্থাৎ = B1 + B2 + D4 + D5। ফাংশনের সাহায্যে: ফাংশনের সাহায্যে B1, B2, D4, DS এর যোগফল নির্ণয়ের জন্য sum ফাংশন ও সেল রেঞ্জ ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ E7 সেলে কার্সর রেখে ‘=’ চিহ্ন দিয়ে টাইপ করতে হবে sum (B1; DS)। অর্থাৎ = sum (B1: D5)।

প্রশ্ন-১০. স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে কিভাবে চার্ট এবং গ্রাফ ব্যবহার করা যায় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: চার্ট বা গ্রাফ তৈরি করার নিয়ম:
i. এক্সেল ওয়ার্কশীটকে পর্দায় সচল রাখতে হবে।
ii.. ডেটা রেঞ্জ নির্বাচন করতে হবে।
iii. রিবনে Insert মেনুতে ক্লিক করে Chart এর বিভিন্ন ধরন নির্বাচন, করতে হবে।
iv. প্রয়োজনীয় সংশোধন করে চার্টটি সেভ করা যাবে।

প্রশ্ন-১১. স্প্রেডশিটের মাধ্যমে কাজ করা যায় এমন দুটি কাজের বর্ণনা দাও।
অথবা, ওয়ার্কশিটে যোগফল নির্ণয়ের উপায় বর্ণনা কর।

উত্তর: স্প্রেডশিটের মাধ্যমে যোগ ও বিয়োগের কাজ করা যায়। নিম্নে বর্ণনা করা হলো-
যোগ: এক্সেলে দুইভাবে যোগ করা যায়। স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং ম্যানুয়ালি যদি A1 সেলে 10 এবং A2 সেলে 20 থাকে তাহলে কারসরটি A3 সেলে রেখে ‘সামেশন” চিহ্নিত সামেশন আইকনে ক্লিক করে তারপর এন্টার চাপলে A3 সেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে 30 লেখা হয়ে যাবে। আবার ম্যানুয়ালি পদ্ধতিতে A3 সেলে কারসর রেখে, প্রথমে = লিখে টাইপ করতে হবে A1 + A2। তাহলে সম্পূর্ণ লেখাটি হবে = Al + A2। এখন এন্টার বোতামে চাপ দিলে A3 সেলে 30 লেখা হয়ে যাবে।
বিয়োগ: এক্সেলে বিয়োগ করার পদ্ধতিও যোগ করার পদ্ধতির মতো। তবে এক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিয়োগ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। ম্যানুয়ালি বিয়োগ করতে হয়। ম্যানুয়ালি বিয়োগ করার পদ্ধতি হলো, যদি A1 সেলে 20 ও A2 সেলে 10 থাকে তাহলে কারসরটি A3 সেলে রাখতে হবে। এখানে প্রথমে ‘=’চিহ্ন দিতে হবে। এরপর টাইপ করতে হবে A1 – A2। তাহলে সম্পূর্ণ টাইপটি দাঁড়াবে = A1 – A2। এখন এন্টার কি চাপ দিলে A3 সেলে 10 লেখা হয়ে যাবে।

প্রশ্ন–১২. মাইক্রোসফট এক্সেল-২০০৭ উইন্ডো এর পরিচিতি বর্ণনা কর।
উত্তর: মাইক্রোসফট এক্সেল ২০০৭ উইন্ডোর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ রয়েছে। যেমন— টাইটেল বার, অফিস বাটন, রিবন, স্ট্যাটাস বার প্রভৃতি। নিচে এগুলো সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো।
টাইটেল বার: এক্সেল উইন্ডোর একবারে উপরে ওয়ার্কবুকের শিরোনাম লেখা থাকে। এটাকে টাইটেল বার বলা হয়।
অফিস বাটন: এক্সেল উইন্ডোর উপরের বাম দিকে কোনার দিকে বড় গোলাকার বাটনটি হলো অফিস বাটন। এটাতে ক্লিক করে নতুন এক্সেল ওয়ার্কবুক খোলা, আগের ওয়ার্কবুক খোলা, ওয়ার্কবুক সংরক্ষণ করাসহ আরো অনেক কাজ করা যায়। কুইক অ্যাকসেস টুলবার: অফিস বাটনের পাশেই কুইক অ্যাকসেস টুলবারের অবস্থান। সচরাচর যে বাটনগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়, সেগুলো এখানে থাকে।

রিবন: মাইক্রোসফট এক্সেলে বিভিন্ন কমান্ডকে গুচ্ছাকারে সাজানো হয়েছে। এগুলোকে একত্রে রিবন বলা হয়। প্রত্যেকটা মেনুর আওতায় আইকনের মাধ্যমে কমান্ডগুলো সাজানো। সেল অবস্থান ও সেলের বিষয়বস্তু দেখানোর বার বা ফর্মূলা বার: রিবনের ঠিক নিচেই এর অবস্থান। এখানে সেলের অবস্থান বা সেল রেফারেন্স প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি সেলের বিষয়বস্তু বা কন্টেন্ট দেখানো হয়।

স্ট্যাটাস বার: ওয়ার্কশিটের নিচের দিকে স্ট্যাটাস বারের অবস্থান। বিভিন্ন কাজের সময় তাৎক্ষণিক অবস্থা এ বারে দেখানো হয়। এছাড়া স্ট্যাটাস বারের বাম দিকে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে ওয়ার্কশিট দেখার অপশন রয়েছে।
শিট ট্যাব: একটা ওয়ার্কবুকে যতগুলো ওয়ার্কশিট থাকে শিট ট্যাবে সেগুলো দেখানো হয়। বিভিন্ন শিটের মধ্যে আসা যাওয়া করার জন্য শিট ট্যাব ব্যবহার করা যায়।


🔆🔆 আরও দেখুন: একটি Paragraph দিয়ে সকল Paragraph লেখার নিয়ম


আশাকরি “৮ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ৪র্থ অধ্যায়” নিয়ে লেখা আর্টকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। পড়াশোনা বিষয়ে সকল টিপস ও হ্যান্ডনোট পেতে Follow করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ এবং Subscribe করে রাখতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।