|

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৯ম অধ্যায়: আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র হচ্ছে সূর্য। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম নক্ষত্র। সূর্যের প্রায় ৭৩ ভাগ হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ২৫ ভাগ হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা গঠিত। বাকী অংশগুলো অক্সিজেন, কার্বন, নিয়ন এবং আয়রন দ্বারা গঠিত। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে প্রায় ৮ মিনিট সময় লাগে। সূর্যের আলো পৃথিবীতে বিদ্যমান সকল প্রাণের শক্তির একমাত্র উৎস। পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণেই দিনরাত সংঘটিত হচ্ছে। বার্ষিক গতির ফলে দিনরাতের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে ও ঋতু পরিবর্তন হয়। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। চাঁদের আলোকিত অংশের হ্রাস-বৃদ্ধির এক একটি অধ্যায়কে চন্দ্রকলা বলে। পক্ষ সাধারণত ১৫ দিনে হয়। অমাবস্যা থেকে পরের ১৫ দিন পর পুর্ণিমা।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৯ম অধ্যায় কুইজ প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। পৃথিবীর নিজ অক্ষের চারপাশের ঘূর্ণনকে কী বলে?
উত্তর: আহ্নিক গতি

প্রশ্ন ২। সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর পরিক্রমণকে কী বলে?
উত্তর: বার্ষিক গতি।

প্রশ্ন ৩। পৃথিবী কোন দিকে ঘুরছে?
উত্তর: পশ্চিম থেকে পূর্ব দিক।

প্রশ্ন ৪। পৃথিবীর নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘূর্ণনকে কী বলে?
উত্তর: আহ্নিক গতি।

প্রশ্ন ৫। দিন-রাত্রি সংঘটিত হয় কোন গতির কারণে?
উত্তর: আহ্নিক গতির কারণে।

প্রশ্ন ৬। পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর কত ডিগ্রি কোণে ঘুরে?
উত্তর: ২৩.৫ ডিগ্রি

প্রশ্ন ৭। পৃথিবী তার কক্ষপথের সাপেক্ষে কত ডিগ্রি কোণে ঘুরে?
উত্তর: ২৩.৫ ডিগ্রি।

প্রশ্ন ৮। লিপ ইয়ারে কোন মাসের সাথে ১ দিন যোগ করা হয়?
উত্তর: ফেব্রুয়ারি।

প্রশ্ন ৯। দিবা-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধির কারণ কোন গতি?
উত্তর: বার্ষিক গতি।

প্রশ্ন ১০। কোন গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন হয়?
উত্তর: বার্ষিক গতি।

প্রশ্ন ১১। পৃথিবীর মাঝখান দিয়ে পূর্বে-পশ্চিমে বিস্তৃত রেখাটির নাম কী?
উত্তর: বিষুব রেখা।

প্রশ্ন ১২। কোন রেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে ভাগ করেছে?
উত্তর: বিষুব রেখা।

প্রশ্ন ১৩। বিষুব রেখার সাপেক্ষে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত রেখাটির নাম কী?
উত্তর: ককট ক্লান্তি।

প্রশ্ন ১৪। বিষুব রেখার সাপেক্ষে ২৩.৫ ডিগ্রি দক্ষিণে কোন রেখা অবস্থিত?
উত্তর: মকর ক্রান্তি।

প্রশ্ন ১৫। কোন ভৌগোলিক রেখা বাংলাদেশের ঠিক মাঝখান দিয়ে গেছে?
উত্তর: ককট ক্লান্তি।

প্রশ্ন ১৬। আমাদের দেশে পুরো বছরকে কয়টি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর: ৬টি।

প্রশ্ন ১৭। কোথায় সারা বছর সূর্যের আলো খাড়াভাবে পতিত হয়?
উত্তর: বিষুবীয় অঞ্চলে।

প্রশ্ন ১৮। উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে লম্বা দিন ও ছোট রাত করে?
উত্তর: ২১ জুন।

প্রশ্ন ১৯। দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত কবে?
উত্তর: ২২ ডিসেম্বর।

প্রশ্ন ২০। কোন দুইদিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান হয়?
উত্তর: ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।

প্রশ্ন ২১। কোন অঞ্চলে বছরের অনেকটা সময় শীত থাকে?
উত্তর: মেরু অঞ্চলে।

প্রশ্ন ২২। চাঁদের আলোকিত অংশের আকার পরিবর্তনকে কী বলে?
উত্তর: চন্দ্রকলা।

প্রশ্ন ২৩। চাঁদের দৃশ্যমান যখন বাড়তে থাকে সেই সময়কে কী বলে?
উত্তর: শুক্লপক্ষ।

প্রশ্ন ২৪। কখন চাঁদের দৃশ্যমান অংশ কমতে থাকে?
উত্তর: কৃষ্ণপক্ষে।

প্রশ্ন ২৫। পৃথিবীকে কেন্দ্র করে একবার পূর্ণ আবর্তন করতে চাঁদের কত সময় লাগে?
উত্তর: ২৭ দিন ৮ ঘণ্টা।

প্রশ্ন ২৬। একটি নতুন চাঁদ থেকে পরের নতুন চাঁদ দেখতে কত সময় লাগে?
উত্তর: ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা।

প্রশ্ন ২৭। জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ কী?
উত্তর: চাঁদের আকর্ষণ।

প্রশ্ন ২৮। উপকূলীয় এলাকায় দিনে কয়বার জোয়ার-ভাটা হয়?
উত্তর: দুইবার।

প্রশ্ন ২৯। জোয়ারের কত সময় পর ডাটার সৃষ্টি হয়?
উত্তর: ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।

প্রশ্ন ৩০। সূর্য ও চাঁদের আকর্ষণ বল একই সরলরেখায় কাজ করে যে জোয়ার হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: ভরা কটাল

প্রশ্ন ৩১। একই সরলরেখায় সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে যখন চাঁদ আসে তখন কী হয়?
উত্তর: সূর্যগ্রহণ।

প্রশ্ন ৩২। একই সরলরেখার চাঁদ ও সূর্যের মাঝে যখন পৃথিবী আসে তখন কী হয়?
উত্তর: চন্দ্রগ্রহণ

প্রশ্ন ৩৩। চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে কত ডিগ্রি কোণে বেঁকে থাকে?
উত্তর: ৫° কোণে।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৯ম অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। ভৌগোলিক রেখা কী?
উত্তর: পৃথিবীর ভৌগোলিক অবস্থান বিশ্লেষণ করার জন্য পৃথিবীর ওপর কয়েকটি কাল্পনিক রেখা কল্পনা করা হয়েছে যাদের ভৌগোলিক রেখা বলে।

প্রশ্ন ২। কর্কট ক্রান্তি রেখা কী?
উত্তর: বিষুব রেখার সাপেক্ষে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত পূর্ব- পশ্চিমে বিস্তৃত রেখাটি হচ্ছে কর্কট ক্রান্তি রেখা।

প্রশ্ন ৩। মকর ক্রান্তি রেখা কী?
উত্তর: বিষুব রেখার সাপেক্ষে ২৩.৫ ডিগ্রি দক্ষিণে অবস্থিত পূর্ব- পশ্চিমে বিস্তৃত রেখাটি হচ্ছে মকর ক্রান্তি রেখা।

প্রশ্ন ৪। ঋতু কাকে বলে?
উত্তর: বছরের ৩৬৫ দিনকে আবহাওয়া দিন-রাতের দৈর্ঘ্য এবং প্রকৃতির বিভিন্ন পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়, এ ভাগগুলোকে ঋতু বলে।

প্রশ্ন ৫। শুক্লপক্ষ কী?
উত্তর: চাঁদের দৃশ্যমান অংশ যখন বাড়তে থাকে সেই সময়কে বলে শুক্লপক্ষ

প্রশ্ন ৬। কৃষ্ণপক্ষ কী?
উত্তর: চাঁদের দৃশ্যমান অংশ যখন কমতে থাকে সেই সময়কে বলে কৃষ্ণপক্ষ।

প্রশ্ন ৭। ভরা কটাল কী?
উত্তর: চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করলে তাদের মিলিত আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ার হয় তাকে ভরা কটাল বলে।

প্রশ্ন ৮। মরা কটাল কী?
উত্তর: চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে থাকলে, আকর্ষণ বল পরস্পর বিপরীতভাবে কাজ করায় সমুদ্রের পানি বিশেষ ফুলে ওঠে না, এই জোয়ারকে মরা কটাল বলে।

প্রশ্ন ৯। লিপ ইয়ার কী?
উত্তর: চার দ্বারা বিভাজ্য বছরগুলোতে ফেব্রুয়ারি মাসে ১ দিন যোগ করা হয়, সে বছরগুলোকে লিপ ইয়ার বলা হয়।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৯ম অধ্যায় চিন্তা করে উত্তর দাও

প্রশ্ন ১। কেন আমরা সূর্যকে পূর্ব দিকে উদয় হতে দেখি?
উত্তর: মহাকাশে পৃথিবী স্থির নয়। পৃথিবী তার নিজের অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এই ঘূর্ণনের দিক হচ্ছে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে। তাই সূর্যকে আমরা পূর্বদিকে উদয় হতে এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যেতে দেখি।

প্রশ্ন ২। লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে গণনা করা হয় কেন?
উত্তর: পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে একবার ঘুরে আসে। প্রতি বছর ৩৬৫ দিনের পর ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড থেকে যায় যা হিসেবে আনার জন্য লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাসে ১ দিন যোগ করে ২৮-এর বদলে ২৯ দিনে মাস গণনা করা হয়।

প্রশ্ন ৩। ঋতু পরিবর্তনের কারণ কী?
উত্তর: পৃথিবীর ঘূর্ণন ও সূর্যের দিকে হেলে থাকা অক্ষের কারণে ঋতু পরিবর্তন হয়। পৃথিবীর আবর্তনের জন্য বিভিন্ন সময় পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ সূর্যের দিকে বা সূর্যের বিপরীত দিকে সরে পড়ে। সূর্যের আলো যেখানে যত খাড়াভাবে পড়বে সেই স্থান তত বেশি গরম হবে, সেই অংশে তখন গ্রীষ্মকাল থাকবে। আবার যখন বিপরীত দিকে হেলে থাকবে, সেই অংশে তখন তাপমাত্রা কম থাকবে এবং সেখানে থাকবে শীতকাল।

প্রশ্ন ৪। মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে শীত বেশি হয় কেন?
উত্তর: মেরু অঞ্চল এবং তার সংলগ্ন এলাকায় সূর্যরশ্মি তির্যক বা বাঁকাভাবে পড়ে। ফলে সেই সব এলাকায় উষ্ণতা কম এবং শীত বেশি হয়ে থাকে। এই এলাকাগুলোতে বছরের অনেকটা সময় শীত থাকে।

প্রশ্ন ৫। অমাবস্যা কেন হয়?
উত্তর: পৃথিবীকে ঘিরে ঘূর্ণনের সময় চাঁদ যখন পৃথিবী আর সূর্যের মাঝখানে থাকে, সূর্যের আলো তখন চাঁদের পিছন দিকটি আলোকিত করে। পৃথিবী থেকে পিছনের অংশটি আমরা দেখতে পাই না। ফলে চাঁদ আমাদের কাছে অদৃশ্য থাকে। সেই সময়টাকে বলা হয় অমাবস্যা।

প্রশ্ন ৬। সবসময় চাঁদের এক পৃষ্ঠ দেখা যায় কেন?
উত্তর: চাঁদ এমনভাবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে যে চাঁদের একপাশ সবসময় পৃথিবীর দিকে ফিরে থাকে। যার কারণে আমরা সবসময় চাঁদের একটি পৃষ্ঠ দেখি। অন্য পৃষ্ঠটি পৃথিবী থেকে দেখতে পাই না।

প্রশ্ন ৭। ভরা কটাল কখন হয়?
উত্তর: প্রতি পূর্ণিমায় এবং অমাবস্যায় ভরা কটাল হয়। এই সময় চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থ করে এবং চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণে পানি একটু বেশি ফুলে ওঠে। এই সময় তীব্র জোয়ার হয়, এই অবস্থাকে ভরা কটাল বলে।

প্রশ্ন ৮। বিষুব রেখা কী? মরা কটালে জেয়ারের তীব্রতা কম হয় কেন?
উত্তর: পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত রেখাটিই হচ্ছে বিষুব রেখা। মরা কটাল যখন হয় তখন সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ সমকোণে অবস্থান করে। চাঁদের আকর্ষণে যেদিকে জলরাশি ফুলে ওঠে ঠিক তার সমকোণে সূর্যের আকর্ষণেও সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে। চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বল পরস্পর বিপরীত কাজ করায় সমুদ্রের জলরাশি বিশেষ ফুলে ওঠে না। তাই মরা কটালে জোয়ারের তীব্রতা কম হয়।

প্রশ্ন ৯। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ কী? প্রতিবছর ২১ জুন দিনটি বড় হয় কেন?
উত্তর: সূর্য যদি চাঁদের দ্বারা পুরোপুরি ঢেকে যায় তাকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ বলে। সৌরজগতের নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরার সময় একদিকে একটু হেলে থাকে। ফলে কখনো উত্তর গোলার্ধ সূর্যের কাছে আসে, কখনো দক্ষিণ গোলার্ধ। ২১ জুন সূর্যের আলো কর্কট ক্রান্তির ওপর একেবারে খাড়াভাবে আপতিত হয়। ফলে এই দিনে সূর্যের রশ্মি পৃথিবীতে দীর্ঘসময় ধরে পড়ে। তাই দিনটি উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে লম্বা দিন হয়। ফলে প্রতি বছর ২১ জুন দিনটি বড় হয়।

প্রশ্ন ১০। চন্দ্ৰকলা কী? প্রতি অমাবস্যা ও পূর্ণিমাতে সূর্যগ্রহণ এবং চন্দ্রগ্রহণ হয় না কেন?
উত্তর: চাঁদের আলোকিত অংশের হ্রাস-বৃদ্ধিকে চন্দ্ৰকলা বলে। চাঁদ যদি পৃথিবীর কক্ষপথের সাথে একই তলে থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত, তাহলে প্রতি পূর্ণিমা এবং অমাবস্যায় চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ দেখা যেত। কিন্তু চাঁদ পৃথিবীর সাপেক্ষে ৫ ডিগ্রি কোণে প্রদক্ষিণ করে। তাই প্রতি পূর্ণিমায় এবং অমাবস্যায় সূর্য আর পৃথিবীকে একই সরলরেখায় সংযুক্ত করতে পারে না। যার কারণে প্রতি পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ হয় না।

প্রশ্ন ১১। পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর কত ডিগ্রি কোপে ঘুরে? কোন গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন হয়? পৃথিবীর সব জায়গায় দিন-রাতের দৈর্ঘ্য এক হয় না কেন? 
উত্তর: পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে ঘুৱে। বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন হয়। পৃথিবী যদি পুরোপুরি খাড়াভাবে নিজ অক্ষে ঘুরত তাহলে পুরো পৃথিবীর সব জায়গায় ১২ ঘন্টা দিন ও ১২ ঘণ্টা রাত থাকতো। কিন্তু পৃথিবী পুরোপুরি খাড়াভাবে না ঘুরে, অক্ষের সাথে ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে ঘোরে। তাই পৃথিবীর সব জায়গায় দিন-রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয় না। কোথাও দিন ছোট, কোথাও লম্বা। এমনকি মেরুর কাছাকাছি অঞ্চলে অনেকদিন ধরে দিন এবং অনেকদিন ধরে রাত থাকতে পারে।


🔆🔆 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔆🔆 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ২য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔆🔆 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔆🔆 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔆🔆 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৫ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔆🔆 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔆🔆 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৭ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔆🔆 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৮ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। ভিডিও ক্লাস করতে সাবক্রাইব করে রাখতে পারেন আমাদের YOUTUBE চ্যানেল এবং আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে চাইলে কানেক্ট থাকতে পারেন আমাদের FACEBOOK পেজে।